মরুলা ও ব্লাস্টুলার পার্থক্য
মরুলাঃ ক্লিভেজের ফলে উৎপন্ন 16-64টি কোষযুক্ত নিরেট ভ্রূণকে মরুলা (Morula) বলে।মরুলা কি
ব্লাস্টুলাঃ মরুলা ডিম্বনালি থেকে জরায়ুতে এসে পৌঁছায় এবং পুনরায় বিভাজিত হয়ে একস্তরী তরলপূর্ণ ফাঁপা বলের আকার ধারণ করে, তখন তাকে ব্লাস্টুলা (blastula) বা ব্লাস্টোসিস্ট (blastocyst) বলে।
মরুলার বৈশিষ্ট্যঃ
- মরুলা জাইগোটের বিভাজনের ফলে সৃষ্ট হয়।
- একটি নিরেট বলের মত কোষ পুঞ্জো বিশেষ।
- মরুলার কেন্দ্রে কোন গহবর সৃষ্টি হয় না।
- পূর্বতন ডিম্বাণুর স্বচ্ছ বল এটি মরুলার বহিরাবরণ গঠন করে।
ব্লাস্টুলার বৈশিষ্ট্যঃ
- ব্লাস্টুলা মরুলার বিভাজনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- এটি একস্তরবিশিষ্ট ফাপা বলের মতো গঠন বিশেষ।
- এর কেন্দ্রে তরল পূর্ণ ব্লাস্টোসিল নামক গহবর থাকে।
- প্রাথমিক দিকে স্বচ্ছ বলাই থাকলেও ব্লাস্টোসিস্ট বিদীর্ণ হওয়ার পর একটি বিলুপ্ত হয়।
মরুলা কী ও ব্লাস্টুলা কি?
আরও পড়ুনঃ
0 Comments
Thanks! ❤️❤️❤️